বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এনডব্লিউপিজিসিএল-বুয়েট রোবো কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং বুয়েট যৌথভাবে এই কার্নিভাল আয়োজন করেছে।
উপদেষ্টা বলেন, এই কার্নিভাল শুধু একটি প্রযুক্তি প্রদর্শনী নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা নির্মাণের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ব বর্তমানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, বিগ ডেটা, আইওটি ও অটোমেশন অর্থনীতি ও সমাজকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে। শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত কেবল ডিগ্রি প্রদান নয়, বরং দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-সচেতন মানবসম্পদ তৈরি করা।
ড. আবরার বলেন, এই রোবো কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং গবেষণা ও শিল্পখাতের বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা অপরিহার্য।