বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সকালে কালো কিশমিশ খেলে যেসব উপকার হতে পারে ডটবিডি সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন চালু সালথায় ইসলামী আন্দোলনে ভাঙন, খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন শতাধিক নেতাকর্মী পঞ্চগড়ে ৪ দশকের ইমামতি শেষে ফুলে সাজানো ঘোড়ার গাড়িতে খতিবকে বিদায় ঘাটাইলের পথসভায় আসিফ মাহমুদ, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ঢাকা-১৬: দ্বিমুখী লড়াইয়ের মাঠে এগিয়ে বিএনপি ভোটার হলেন কারাবন্দি ইনু–মেনন, অনিচ্ছুক মামুন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে রাইবাকিনার প্রতিশোধের রাজত্ব শুরু হচ্ছে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ ২০২৬, নেতৃত্বে লিটন-শান্ত-আকবর

লড়াকু তামিম-ইমনের ফাইফারে সান্ত্বনার জয়, বিশ্বকাপ শেষ করলো বাংলাদেশ

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শেষটা দারুণ জয়ে কেটেছে বাংলাদেশের৷ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৪ রানে জয় পেয়েছে জুনিয়র টাইগাররা।

টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা অবশ্য খুব একটা স্বস্তির হয়নি। ওপেনিংয়ে রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার মিলে যোগ করেন ২০ রান।

১৪ বলে ১৫ রান করে ফেরেন রিফাত। এরপর ক্রিজে এসে আজিজুল হাকিম তামিম যোগ দেন আবরারের সঙ্গে। 

চাপের মধ্যেই ধীরে ধীরে ইনিংস গড়েন তামিম ও আবরার। তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আবরার।

৪৮ বল খেলে ২৫ রান করে আউট হন তিনি। একপ্রান্তে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যান তামিম। ধৈর্য আর দৃঢ়তায় ভর করে তুলে নেন ফিফটি। ৮৭ বল খেলে ৫৯ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মাঝের ওভারে উইকেট হারানোর মিছিল শুরু হলে ব্যাটিং ধসে পড়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। সেই সময়ে দায়িত্ব নেন রিজান হোসেন। ফিফটির কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৬৮ বলে ৪৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ২৪০ রান পার করাও কঠিন হবে।

তবে শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আল ফাহাদ ও শাহরিয়ার আহমেদ।

শাহরিয়ার ১১ বলে ১৫ রানের ক্যামিও খেলেন। আল ফাহাদ ১৩ বলে অপরাজিত ২৩ রান করে ইনিংসে গতি ফেরান। শেষ ওভারে আসে ২২ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে আসে ৭৯ রান, শেষ তিন ওভারে ৩৯ রান। ইকবাল হোসেন ইমন ২ বলে ৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। 

জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে টাটেন্ডা চিমুগোরো, শেলটন মাজভিতোরে ও মাইকেল বিলগনাট নেন দুটি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন প্রথম ৬ রানের মধ্যেই তুলে নেন দুই ওপেনারকে। এরপর তিন নম্বরে নামা কিয়ান বিলগনাটকে ফেরান আল ফাহাদ। মাত্র ১৫ রানে তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

এরপরও উইকেট পতন থামেনি। অধিনায়ক সিমবারাশা মুদজেনগেরে ও লিরয় চিওয়াউলার মাঝে ২৭ রানের একটি জুটি গড়লেও সেটি ভেঙে দেন ইমন। পরে মাইকেল বিলগনাটকেও ফিরিয়ে নিজের আধিপত্য দেখান এই পেসার।

মাঝের দিকে রিজান ফেরান ব্রেন্ডন এনদিওয়ানিকে। ৩৭ বলে ১৬ রান করেন তিনি। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক সিমবারাশা। সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রান বাড়াতে থাকেন তিনি।

টাটেন্ডা চিমুগোরো ১২ বলে ৫ রান করে ফেরেন। আজিজুল হাকিম তামিমের বলে দারুণ স্টাম্পিং করেন ফরিদ হাসান। এরপর ১১ বলে ২ রান করা পানাশে মাজাইকে ফিরিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ফাইফার পূর্ণ করেন ইমন।

শেষ পর্যন্ত সিমবারাশা ১২১ বলে ৭০ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেননি। তাকে আউট করেন আল ফাহাদ। শেলটন মাজভিতোরে ৪২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭৯ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৫ উইকেট। আল ফাহাদ শিকার করেন ২টি। একটি করে উইকেট পান রিজান হোসেন ও আজিজুল হাকিম তামিম।

এর আগেই বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল। তবে শেষ ম্যাচে দারুণ এক জয় দিয়ে আসর শেষ করলো টাইগাররা। সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হলেও লড়াকু পারফরম্যান্সে বিদায়ী ম্যাচটা রাঙিয়েছে বাংলাদেশ।



Our Like Page