টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা অবশ্য খুব একটা স্বস্তির হয়নি। ওপেনিংয়ে রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার মিলে যোগ করেন ২০ রান।
চাপের মধ্যেই ধীরে ধীরে ইনিংস গড়েন তামিম ও আবরার। তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আবরার।
তবে শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আল ফাহাদ ও শাহরিয়ার আহমেদ।
জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে টাটেন্ডা চিমুগোরো, শেলটন মাজভিতোরে ও মাইকেল বিলগনাট নেন দুটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন প্রথম ৬ রানের মধ্যেই তুলে নেন দুই ওপেনারকে। এরপর তিন নম্বরে নামা কিয়ান বিলগনাটকে ফেরান আল ফাহাদ। মাত্র ১৫ রানে তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
এরপরও উইকেট পতন থামেনি। অধিনায়ক সিমবারাশা মুদজেনগেরে ও লিরয় চিওয়াউলার মাঝে ২৭ রানের একটি জুটি গড়লেও সেটি ভেঙে দেন ইমন। পরে মাইকেল বিলগনাটকেও ফিরিয়ে নিজের আধিপত্য দেখান এই পেসার।
মাঝের দিকে রিজান ফেরান ব্রেন্ডন এনদিওয়ানিকে। ৩৭ বলে ১৬ রান করেন তিনি। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক সিমবারাশা। সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রান বাড়াতে থাকেন তিনি।
টাটেন্ডা চিমুগোরো ১২ বলে ৫ রান করে ফেরেন। আজিজুল হাকিম তামিমের বলে দারুণ স্টাম্পিং করেন ফরিদ হাসান। এরপর ১১ বলে ২ রান করা পানাশে মাজাইকে ফিরিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ফাইফার পূর্ণ করেন ইমন।
শেষ পর্যন্ত সিমবারাশা ১২১ বলে ৭০ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেননি। তাকে আউট করেন আল ফাহাদ। শেলটন মাজভিতোরে ৪২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭৯ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৫ উইকেট। আল ফাহাদ শিকার করেন ২টি। একটি করে উইকেট পান রিজান হোসেন ও আজিজুল হাকিম তামিম।
এর আগেই বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল। তবে শেষ ম্যাচে দারুণ এক জয় দিয়ে আসর শেষ করলো টাইগাররা। সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হলেও লড়াকু পারফরম্যান্সে বিদায়ী ম্যাচটা রাঙিয়েছে বাংলাদেশ।