মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম

এটি চ্যারিটি ম্যাচ নয়, এখানে স্পোর্টসম্যানশিপ নষ্ট হওয়ার কিছু হয়নি: লিটন

বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের উপস্থিত বুদ্ধিদীপ্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউটের শিকার হন সালমান খান আঘা। যদিও মিরাজের এমন আউট নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ম্যাচ চলাকালীনই ধারাভাষ্য কক্ষে বসে মিরাজের এমন রান আউটের তীব্র সমালোচনা করেন রমিজ রাজা। ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের ক্রিকেটার সালমান আঘাও সমালোচনায় মত্ত হন।

যদিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লিটন-মিরাজরা এটাকে স্বাভাবিক রান আউট হিসেবেই দেখছেন! 

ঘটনার সূত্রপাত ৩৯তম ওভারে। মিরাজের একটি বল ডানদিকে ঠেলে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। বল থামাতে দ্রুত ডানদিকে সরে গিয়ে পা দিয়ে সেটি আটকে দেন মিরাজ। ঠিক তখন নন-স্ট্রাইকে থাকা সালমান আঘা সামনে চলে আসায় দুজনের মধ্যে হালকা ধাক্কাধাক্কিও হয়।

বলটি তখন তাদের দুজনের পায়ের কাছেই পড়ে ছিল। ওই মুহূর্তে ক্রিজের বাইরে ছিলেন সালমান। দ্রুত বলটি তুলে আন্ডারআর্ম থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে দেন তিনি। তাতেই অদ্ভুত রান আউটের শিকার হন তিনি।
 

মিরাজকে এমন রান আউট করতে দেখে স্পোর্টসম্যানশিপের প্রশ্ন তুলে ফেলেন রমিজ রাজা, ‘দুই দলের উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই আলাদা। একজন ব্যাটসম্যান রান আউটের সুযোগ খুঁজছিলেন, আর অন্যজন বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে চেয়েছিল। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বন্ধুত্বের জায়গা নেই। এ কারণেই তিনি বাংলাদেশের ১০০-এর মধ্যে ১০ নম্বর দেব। তারা বিষয়টি আরও ভালোভাবে সামলাতে পারত।

’ 

ম্যাচ শেষে অবশ্য তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন লিটন দাস। তার মতে এটি কোনো চ্যারিটি ম্যাচ নয় যে এই রান আউটে স্পোর্টসম্যানশিপ নষ্ট হবে। ম্যাচ শেষে তিনি টি-স্পোর্টসকে বলেন, ‘এখানে কেউ চ্যারিটি ম্যাচ খেলতে আসেনি। এটা আন্তর্জাতিক ম্যাচ। যেহেতু নিয়মে আছে আউট, সো আমি তো কোনো অ্যাঙ্গেল দিয়েই দেখি না এখানে স্পোর্টসম্যানশিপ নষ্ট হওয়ার কিছু আছে। প্লেয়ার হিসেবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে এটা আউট।’

লিটনের দাবি ম্যাচের ঘটনায় বাংলাদেশ শতভাগ সঠিক ছিল, ‘আজকেও মাঠের একটি বিষয় নিয়ে দুই অ্যাঙ্গেলেই কথা হচ্ছে, পাকিস্তানের যে অ্যানালিস্ট রয়েছেন, কমেন্টেটর রয়েছেন, তারা বলেছেন স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিটের কথা। তারা বলছেন এখানে মিরাজ বা বাংলাদেশ স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিটটা দেখায়নি। কিন্তু আমি মনে করি ট্যাকটিক্যালি বাংলাদেশ এখানে সঠিক ছিল।’

অধিনায়ক মেহেদী হাসানেরও স্পষ্ট কথা। পুরষ্কার বিতরণী মঞ্চে তিনি বলেন, ‘সে (সালমান আঘা) পপিং ক্রিজের বাইরে ছিল, আমি বল খুঁজছিলাম। আমি যদি রান আউট মিস করতাম ও আরও রানের পেছনে ছুটত। আমি শুধু এটাই ভেবেছি।’



Our Like Page