Breaking News

শিমুল বিশ্বাসের পরবর্তি শুনানি ২২মার্চ

গুলশান ও বংশাল থানার পুলিশের কাজে বিঘ্ন ঘটানো ও নাশকতার দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের রিমান্ড শুনানির পিছেয়ে ২২ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রবিবার মামলা দুটির রিমান্ড শুনানির জন্য শিমুল বিশ্বাসকে নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। কিন্তু তাকে রিমান্ডে না নেওয়া সংক্রান্ত হাইকোর্টে রিট থাকায় শুনানি পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

এই প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবীব ও বংশাল থানার মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট লস্কর সোহেল রানা রিমান্ড শুনানি পিছিয়ে ২২ মার্চ দিন নির্ধারণ করেন।

শিমুল বিশ্বাসকে পুলিশের পক্ষ থেকে গুলশান থানার মামলায় ১০দিন এবং বংশাল থানার মামলায় সাতদিন রিমান্ড চেয়েছিলো। মোট ১৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে আটক করা হয়।

৯ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় দায়ের করা নাশকতার একটি মামলায় ৫ দিনের ও ১৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানার আরেক মামলায় শিমুল বিশ্বাসের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা নাশকতার আরেক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড দেন আদালত। তিন মামলায় ১৫ দিন রিমান্ড শেষে ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে শিমুল বিশ্বাসকে রিমান্ডে না নিয়ে জেল গেটে জিজ্ঞাসা করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে পয়লা মার্চ রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে রিমান্ডে নেওয়া যাবে না বলে আদেশ দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি), ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত (সিএমএম), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার, গুলশান ও বংশাল থানার ওসিকে (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন মো. মাসুদ রানা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes