পেঁয়াজ আমদানির আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির

0
3

ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ও গত কয়েক দিনে হঠাৎ করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবুল আলম বলেন, হঠাৎ করে পেঁয়াজের মূল্য খুচরা পর্যায়ে যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে ভোক্তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনার জন্য খুচরা দোকানগুলোতে ভিড় করছে। ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী অযথা পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করছে। কিন্তু পূর্বের আমদানিকৃত পেঁয়াজের হঠাৎ করে মূল্য বৃদ্ধির কোন যৌক্তিকতা নেই।

চেম্বার সভাপতি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজের মজুদ রয়েছে। আমদানিকারকরা আগামী দিনের চাহিদা পূরণে চীন, মিশর, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকে অতি শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানি করতে পারে। এছাড়া সড়ক পথেও মিয়ানমার হতে পেঁয়াজ আমদানি করে বর্তমান চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার কোন কারণ নেই। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট রোধে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি টিসিবির মজুদকৃত পেঁয়াজ আরো বেশি আউটলেটের মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান মাহবুবুল আলম।

এদিকে হঠাৎ করে ভারত পেয়াঁজ রপ্তানি বন্ধ করায় বাজারে বেড়েছে পেয়াঁজের দাম। দেশের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুমগঞ্জে পেয়াঁজ কেজি প্রতি বেড়েছে ২২ টাকা দরে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা জানান, দুইদিন আগে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিলো ৩৮ টাকায়। সেই পেঁয়াজ আজ মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। দেশি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আউল আরাফাতের প্রতিষ্ঠানের মালিক আজগর হোসেন জানান, ভারতীর পেয়াঁজের আমদানি হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দুইদিন আগে ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে মঙ্গলবার সকাল হতে ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়। আগামীকাল থেকে তা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here