বিশ্বে করোনায় পুরনো পোশাকের বিক্রি বেড়েছে

0
46

কয়েক বছর ধরেই সেকেন্ড হ্যান্ড বা পুরনো পোশাকের কদর বাড়ছিল বিশ্বজুড়ে। বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাবে এর বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মূলত করোনায় সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। এ অবস্থায় বাজেট নিয়ে সচেতন লোকজন নজর দিচ্ছেন পুরনো কাপড় ও অন্যান্য ফ্যাশন পণ্যের দিকে। ফলে সামগ্রিকভাবেই সেকেন্ডহ্যান্ড পোশাকের পাশাপাশি ব্যাগ ও রোদচশমার মতো ফ্যাশন পণ্যের বাজার বড় হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর এক্ষেত্রে নামি ব্র্যান্ড হলে দামও মিলছে ভালো।

বাণিজ্য গবেষণা ও বিশ্লেষক সংস্থা গ্লোবালডাটা এবং বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন থ্রিফট ও কনসাইসমেন্ট প্লাটফর্ম থ্রেডআপ যৌথভাবে পরিচালিত এক গবেষণার বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পুরনো পোশাক বিক্রি হচ্ছে। ২০২৪ সাল নাগাদ এই বিক্রি ৬ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে গিয়ে পৌঁছতে পারে।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে ৬ কোটি ২০ লাখ নারী পুরনো পোশাক কিনেছিলেন। ২০১৮ সালে যে সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৬০ লাখ। এতে স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, দিন দিন পুরনো কাপড়সহ ফ্যাশন পণ্যের ক্রেতা বাড়ছে। বিষয়টি একইভাবে সেকেন্ডহ্যান্ড ফ্যাশন পণ্যের বিষয়ে মানুষের চিরাচরিত মনোভাবের পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, চলতি বছর সেকেন্ডহ্যান্ড পণ্যের অনলাইন বাজারের ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটবে। অথচ যেখানে  নিয়মিত খুচরা বিক্রির সংকোচন হবে ২৩ শতাংশ বলে পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।

থ্রেডআপ জানিয়েছে, বিশেষ কিছু ব্র্যান্ডের পুরনো পণ্য ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। এ নিয়ে থ্রেডআপ একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। এ তালিকায় রয়েছে চামড়ার বুটের জন্য বিখ্যাত ফ্রাই, টরি বার্চ, কেট স্পেড ও কোচের মতো ফ্যাশন ব্র্যান্ড।

তারা আরও জানায়, পুরনো পোশাক ক্রয় নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে হীনম্মন্যতা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে। মহামারি এসে এর গতি আরও বৃদ্ধি করেছে। ফলে রিসেল মার্কেট দিন দিন মূলধারায় উঠে আসছে বলে জানান থ্রেডআপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমস রেইনহার্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here